প্রবীণ রাজনীতিক মুকুল রায়-এর শেষকৃত্য সোমবার সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর শ্মশানে সম্পন্ন হয়েছে।রবিবার গভীর রাতে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি এবং কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সোমবার প্রথমে তাঁর মরদেহ বিধানসভায় নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে রাজনৈতিক মহলের বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কাঁচরাপাড়ায় তাঁর বাসভবন ‘যুগল ভবন’-এ। সেখানে দলীয় কর্মী, সমর্থক এবং স্থানীয় মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এরপর প্রায় আট কিলোমিটার পথ পদযাত্রা করে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় হালিশহর শ্মশানে।শেষযাত্রায় মুকুলের পুত্র শুভ্রাংশু রায়-এর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও শ্মশান পর্যন্ত যান এবং শেষকৃত্যের সময় উপস্থিত থাকেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ কাঠের চুল্লিতে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
শেষযাত্রা ও শেষকৃত্যে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের একাধিক বিধায়ক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যার মধ্যে ছিলেন নির্মল ঘোষ, সনৎ দে, নির্মল মাঝি, শিউলি সাহা এবং সাংসদ পার্থ ভৌমিকসহ অনেকে।

মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনি তাঁকে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী ও সংগ্রামের সঙ্গী হিসেবে উল্লেখ করেন।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও শোকবার্তা দিয়েছেন।
এক সময় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মুকুল রায়।পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দিলেও আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অসুস্থতার কারণে সক্রিয় রাজনীতি থেকে অনেকটাই দূরে ছিলেন তিনি।
- Log in to post comments