কেরলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবে কেন্দ্রের অনুমোদনের পর রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, কেরলে বিজেপি এবং সিপিএমের রাজনৈতিক সমঝোতার ফলেই এই সিদ্ধান্ত সম্ভব হয়েছে। তাঁর কথায়, এই ‘যোগ’ আর গোপন নেই, এখন তা স্পষ্ট। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গকে এই ধরনের বিষয়ে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে কেরলের নতুন নামকরণের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নতুন ঠিকানা সেবাতীর্থ কমপ্লেক্সে। উল্লেখযোগ্য যে, ২০১৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারও রাজ্যের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছিল।
প্রস্তাব ছিল, সব ভাষাতেই রাজ্যের নাম ‘বাংলা’ করা হবে। তবে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছিল, প্রস্তাবিত নামটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ-এর নামের সঙ্গে খুব মিল হওয়ায় বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত সেই প্রস্তাব অনুমোদিত বা বাতিল কোনওটাই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
ভারতে কোনও রাজ্যের নাম পরিবর্তনের জন্য সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। প্রথমে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার প্রস্তাব পাঠায় কেন্দ্রকে। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বিভিন্ন দফতর যেমন রেল, ডাক ও গোয়েন্দা সংস্থার মতামত নিয়ে বিষয়টি পরীক্ষা করে। অনুমোদন মিললে সংসদে বিল আনা হয় এবং তা পাশ হলে রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর নাম পরিবর্তন কার্যকর হয়।
- Log in to post comments